পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের নীয়ম নীতির আদলে এই কনডম এর মডেল তৈরী না হলেও কোনোরকম তোয়াক্কা না করেই চলছে এর সয়লাব ব্যাবহার। দম্পতীরা যৌন উত্তেজনাকে উপভোগ করে পরিপূর্ণ তৃপ্তি পেতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে ম্যাজিক কনডম এর ব্যাবহারে।
স্ত্রী কে সম্পূর্ণ যৌন তৃপ্তি দিতে এবং পুরুষের যেকোনো যৌন দুর্বলতা কে অতিক্রম করতেই মূলত এইরূপ কনডম বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়। উপরন্তু এটি স্বাস্থ্য-সম্মত এবং রাবার ও সিলিকনের মিশ্রণ ছাড়া কোনরূপ ক্ষতিকারক কেমিক্যাল ব্যাবহার করা হয়না বিধায় এটি নিশ্চিন্তে গ্রহণ করছে বাংলাদেশ এর বিবাহিত দম্পতিরা।
একই জরিপে দেখা গেছে যে, বেশিরভাগ পুরুষেরাই MAGIC condom ব্যাবহার করছে দ্রুত বীর্যপাত, চেকন ও দুর্বল লিঙ্গ বা ছোট লিঙ্গের অক্ষমতা ঘোচাতে। আর নারীরা এটি পছন্দ করছে কারন যৌন মিলনে পূর্ণ স্বাদ দিতে সক্ষম এই ম্যাজিক কনডম।
বাংলাদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিচারে এই ভৌগলিক পরিবেশে বেড়ে ওঠা পুরুষের লিঙ্গের দৈর্ঘ্য সাধারণত ৪ থেকে ৬ ইঞ্চি হয়।
অপরদিকে, ২.৮ ইঞ্চির চেয়ে ছোট পেনিস বা পুরুষ লিঙ্গ যৌন ক্ষমতায় অক্ষম হিসেবে বিশ্বব্যাপী বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
কিন্তু, বিভিন্ন জানা-অজানা যৌন সমস্যা ও ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়া যৌন শক্তির বশবর্তী হয়ে বাংলাদেশ এর বেশিরভাগ পুরুষ ই জীবনের কোনো না কোনো সময়ে হতাশায় ভোগে। জরিপে দেখা গেছে বাঙালি পুরুষ দের পেনিস এর গড় দৈর্ঘ্য ৩.৬ ইঞ্চি, যা এই নাতিশীতোষ্ণ পরিবেশের নারীদের তৃপ্তি পুরোপুরি দিতে পারেনা। এজন্য MAGIC condom এর ব্যাবহার বর্তমানে অনেক বিবাহিত যুগল-ই পছন্দ করছে।
অপরদিকে, ২.৮ ইঞ্চির চেয়ে ছোট পেনিস বা পুরুষ লিঙ্গ যৌন ক্ষমতায় অক্ষম হিসেবে বিশ্বব্যাপী বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
কিন্তু, বিভিন্ন জানা-অজানা যৌন সমস্যা ও ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়া যৌন শক্তির বশবর্তী হয়ে বাংলাদেশ এর বেশিরভাগ পুরুষ ই জীবনের কোনো না কোনো সময়ে হতাশায় ভোগে। জরিপে দেখা গেছে বাঙালি পুরুষ দের পেনিস এর গড় দৈর্ঘ্য ৩.৬ ইঞ্চি, যা এই নাতিশীতোষ্ণ পরিবেশের নারীদের তৃপ্তি পুরোপুরি দিতে পারেনা। এজন্য MAGIC condom এর ব্যাবহার বর্তমানে অনেক বিবাহিত যুগল-ই পছন্দ করছে।
এছাড়াও আরো একটি সামাজিক কারন হচ্ছে পরিবার পরিকল্পনার বিষয়টি। পরিকল্পিত পরিবারের জন্মবিরতিকরন উপায় হিসেবে বেশিরভাগ মানুষই কনডম ব্যাবহারে অভ্যস্ত। সেই দিক বিবেচনায় ম্যাজিক কনডম একই সাথে অনেক উপকারে আশে।
বর্তমান বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০ কোটি। আর ২০৩০ সালেই এই জনসংখ্যা ৩০ কোটি ছাড়িয়ে যাবার আশঙ্কা রয়েছে বিশেষজ্ঞদের মতে।
এই আশঙ্কা যে খারাপ দিকেই নির্দেশনা দেয় তা নয়, জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশ ও জনগণের সারবিক কল্যাণ ও সম্ভব। আর এই দিকটিকেই ভিশন ২০-২০ এর উদ্দেশ্য বিবেচনা করে বাংলাদেশ সরকার মনে করে জনশক্তিকে আরো সুপরিশরে কাজে লাগানোর কথা।
২০১৪ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আগের স্লোগান "দুটি সন্তানের বেশি নয়, একট হলে ভালো হয়" এটিকে বদলে এর শেষের লাইনটি বাদ দিয়ে প্রচারণা করতে বলেছিলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মতে যেসব দেশ এই জাতীয় স্লোগান দিয়ে সামনে এগিয়েছে তারা এখন বুড়োর দেশ হিসেবে বেঁচে আছে। তরুন প্রজন্ম কে শেখ হাসিনা সবসময়ই জাগরণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আশা করেন নতুন প্রজন্ম আরো কর্মঠ হবে, আর তাতেই বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে আরো জোড়ে দৌড়াতে পারবে।
প্রধানমন্ত্রীর এইরূপ আশায় আমরা দেশের জনগণ সাধুবাদ জানাই।





