আমাদের সমাজে বিবাহ না হলে সেক্স বা যৌন মিলন করা সম্পূর্ণ অবৈধ। যেকোন ধর্মেই অবিবাহিত মেয়েদের ভার্জিন বা কুমারী থাকার নিয়ম। তবুও আমাদের সমাজ ব্যাবস্থা খোলামেলা, তাই ছেলে মেয়ে দের অবাধ মেলামেশায় হরহামেশাই অবৈধ যৌন মিলন ঘটে চলেছে কখনো সেক্সের টানে কখনো বা প্রেমের টানে।
অনেকেই সংশয়ে থাকেন একটি জিনিস নিয়ে যে তার স্ত্রী সতী কিনা। অনেকে বিয়ের আগে বেশ চিন্তায় থাকেন যে তিনি ভার্জিন বা কুমারী বউ পাবেন কিনা। গত সপ্তাহে আমাদের অশ্লীল বাজার এর সেক্স জিজ্ঞাসায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নেত্রকনা জেলার একজন হবু জামাই প্রশ্ন করেছেন তিনি কিভাবে বুঝবেন তিনি যাকে বিয়ে করতে চলেছেন তিনি যে কুমারী তা কিভাবে বুঝবেন। সেই আলোকে আমাদের আজকের আলোচনা। জেনে নিন, মিলিয়ে নিন, এবং অন্যদেরও সতর্ক করে দিন কিছু বিষয়ে-
যেভাবে আপনি চিনবেন আপনার স্ত্রী ভার্জিন কি নয়-১। যোনি:ল্যাবিয়া মেজরা বা বাইরের পাপড়ি প্রায় সম্পূর্ণভাবে এক সাথে লেগে থাকবে এবং
যোনিমুখ দেখা যাবেনা । ল্যাবিয়া মাইনর বা ভিতরের পাপড়িও সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে
এবং ল্যাবিয়া মেজরা দিয়ে ঢাকা থাকবে পুরটাই ।
ল্যাবিয়া মেজরা না সরালে দেখা যাবে না ।
হাইমেন অর্থাৎ সতীচ্ছেদ অক্ষত থাকবে । যদিও অনেক কারনে তা ছিড়ে যেতে পারে । যেমনঃ সাইকেল চালানোর কারনে, সাতার কাটার জন্য, দৌড়াদৌড়ি করার জন্য ।
ল্যাবিয়া মাইনরার নিচের প্রান্ত একত্রে থাকবে । ক্লাইটরিস খুব ছোট এবং একে আবরণকারী চামড়াও পাতলা হবে । যোনিপথ সরু এবং ভিতরের ভাঁজগুলি কম মসৃণ হবে । ভাঁজ অনেক বেশি হবে ।এর কারন, চোদাচোদি বা সেক্স করলে পুরুষের ধোন, বাড়া, বা পেনিসের ঘষায় ভোদা, গুদ, বা যোনির ভেতরের ভাঁজগুলি ক্রমশ মসৃণ হয়ে যায়।
২। নারীর স্তনঃ
স্তন ছোট হবে (এক্ষেত্রে সবার বেলা প্রযোজ্য নয়)। চ্যাপ্টা হবে, গোল নয় । দৃঢ়
হবে, তুলতুলে নয় ।নিপলের চারপাশে যে গাঢ় অংশ থাকে তাঁর রঙ গোলাপি থেকে বাদামি রঙ এর
হবে এবং এই অংশ আয়তনে ছোট হবে । নিপলের আকার ছোট হবে ।
নোটঃ অনেক সময় অনেক মেয়ের কয়েকবার যৌন মিলনের পরেও হাইমেন বা সতীচ্ছেদ অক্ষত থাকে । এদের কে মিথ্যা ভার্জিন বলা হয় । এমনটি হয় একারনে যে অনেক মেয়েদের সতীচ্ছেদের পর্দা পুরু থাকে । যার কারনে সঙ্গম করলেও তা নাও ছিঁড়তে পারে । এমন কি তা অপারেশন করে নিতে হয় ।
এবার আসি মেয়েদের প্রশ্নের উত্তরে-মেয়েদের মধ্যে থেকেও অনেক প্রশ্ন করেন তাঁর স্বামী বিবাহের পূর্বে অন্য নারীর সাথে নষ্টামি করেছে কি না তা বুঝবেন কি করে?
উত্তর হচ্ছেঃ এক্ষেত্রে স্বামীর আচারন দেখলেই বুঝা যাবে । পুরুষ বা স্বামী বিবাহের পূর্বে নষ্টামি না করে থাকলে সে প্রথমবারে বেশ উত্তেজিত হয়ে যাবে । এমনকি যোনীতে লিঙ্গ প্রবেশ করতে বীর্যপাত করে দিতে পারে অথবা যোনীতে লিঙ্গ ঘসা দিতেই বীর্যপাত করে দিতে পারে ।
এমনটি করলে বুঝতে পারবেন যে আপনার স্বামী ভার্জিন । যেসব স্বামীর বিবাহের পূর্বে সেক্স করার আভ্যাস আছে তারা ভালো করেই আপনার প্রথম আবস্থাতে যৌন ক্রিয়া করে যেতে পারবে ।




